✓ স্বাধীন — এটি কোনো সরকারি ওয়েবসাইট নয় ✓ প্রতিটি ধাপ অফিসিয়াল পোর্টালে যাচাই করা ✓ আমরা কখনো আপনার NID, OTP বা পাসওয়ার্ড চাই না

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (পিসিসি) আবেদন করার নিয়ম

বিদেশে চাকরি, ভিসা বা অভিবাসনের জন্য প্রায়ই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগে। বাংলাদেশ পুলিশের pcc.police.gov.bd পোর্টালে ঘরে বসে আবেদন করার পুরো নিয়ম এখানে।

সংক্ষেপে উত্তর

pcc.police.gov.bd-এ বাংলাদেশি মোবাইল নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলুন, পাসপোর্টের তথ্য ও স্থায়ী ঠিকানা দিন, পাসপোর্টের বায়ো পেজ ও ঠিকানার প্রমাণ আপলোড করুন এবং নির্ধারিত সরকারি ফি অনলাইনে পরিশোধ করুন। পুলিশ ঠিকানা যাচাইয়ের পর সনদ ইস্যু হয়। ফি ও সময় নীতিমালা অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে, তাই পোর্টালে যাচাই করুন।

মূল পয়েন্ট

  • একমাত্র সরকারি পোর্টাল pcc.police.gov.bd থেকেই আবেদন করুন।
  • পাসপোর্টের বায়ো পেজ, এনআইডি ও স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ লাগে।
  • সরকারি ফি অনলাইনে (যেমন বিকাশ/নগদ/ব্যাংক) চালানের মাধ্যমে দেওয়া যায়।
  • স্থায়ী ঠিকানায় পুলিশ যাচাইয়ের পর সনদ ইস্যু হয়।
  • ফি ও সময় পরিবর্তনশীল—আবেদনের আগে পোর্টালে হালনাগাদ তথ্য দেখুন।

ধাপে ধাপে

  1. u0985u09cdu09afu09beu0995u09beu0989u09a8u09cdu099f u09a4u09c8u09b0u09bfpcc.police.gov.bd-u098f u0997u09bfu09afu09bcu09c7 u098fu0995u099fu09bf u09b8u099au09b2 u09acu09beu0982u09b2u09beu09a6u09c7u09b6u09bf u09aeu09cbu09acu09beu0987u09b2 u09a8u09aeu09cdu09acu09b0 (u098fu09acu0982 u0995u09bfu099bu09c1 u0995u09cdu09b7u09c7u09a4u09cdu09b0u09c7 u098fu09a8u0986u0987u09a1u09bf u09a4u09a5u09cdu09af) u09a6u09bfu09afu09bcu09c7 u0985u09cdu09afu09beu0995u09beu0989u09a8u09cdu099f u0996u09c1u09b2u09c1u09a8 u0993 u09b2u0997u0987u09a8 u0995u09b0u09c1u09a8u0964
  2. u0986u09acu09c7u09a6u09a8 u09abu09b0u09ae u09aau09c2u09b0u09a3u09aau09beu09b8u09aau09cbu09b0u09cdu099fu09c7u09b0 u09a4u09a5u09cdu09af, u09acu09cdu09afu0995u09cdu09a4u09bfu0997u09a4 u09a4u09a5u09cdu09af u098fu09acu0982 u09afu09c7 u09b8u09cdu09a5u09beu09afu09bcu09c0 u09a0u09bfu0995u09beu09a8u09beu09b0 u099cu09a8u09cdu09af u09b8u09a8u09a6 u099au09beu09a8 u09a4u09be u09b8u09a0u09bfu0995u09adu09beu09acu09c7 u09aau09c2u09b0u09a3 u0995u09b0u09c1u09a8u0964 u09afu09c7 u09a6u09c7u09b6u09c7u09b0 u099cu09a8u09cdu09af u09b8u09a8u09a6 u09a6u09b0u0995u09beu09b0 u09a4u09beu0993 u0989u09b2u09cdu09b2u09c7u0996 u0995u09b0u09c1u09a8u0964
  3. u0995u09beu0997u099c u0986u09aau09b2u09cbu09a1u09aau09beu09b8u09aau09cbu09b0u09cdu099fu09c7u09b0 u09acu09beu09afu09bcu09cbu0997u09cdu09b0u09beu09abu09bfu0995 (u099bu09acu09bfu09b8u09b9) u09aau09c7u099cu09c7u09b0 u09b0u0999u09bfu09a8 u0995u09aau09bf, u098fu09a8u0986u0987u09a1u09bf u098fu09acu0982 u09b8u09cdu09a5u09beu09afu09bcu09c0 u09a0u09bfu0995u09beu09a8u09beu09b0 u09aau09cdu09b0u09aeu09beu09a3 (u09afu09c7u09aeu09a8 u0987u0989u099fu09bfu09b2u09bfu099fu09bf u09acu09bfu09b2 u09acu09be u099au09c7u09afu09bcu09beu09b0u09aeu09cdu09afu09beu09a8 u09b8u09a8u09a6) u09b8u09cdu0995u09cdu09afu09beu09a8 u0995u09b0u09c7 u0986u09aau09b2u09cbu09a1 u0995u09b0u09c1u09a8u0964
  4. u09abu09bf u09aau09b0u09bfu09b6u09cbu09a7u09aau09cbu09b0u09cdu099fu09beu09b2 u09a5u09c7u0995u09c7 u09a4u09c8u09b0u09bf u09b9u0993u09afu09bcu09be u099au09beu09b2u09beu09a8 u0985u09a8u09c1u09afu09beu09afu09bcu09c0 u09a8u09bfu09b0u09cdu09a7u09beu09b0u09bfu09a4 u09b8u09b0u0995u09beu09b0u09bf u09abu09bf u0985u09a8u09b2u09beu0987u09a8u09c7 (u09acu09bfu0995u09beu09b6/u09a8u0997u09a6/u09acu09cdu09afu09beu0982u0995) u09aau09b0u09bfu09b6u09cbu09a7 u0995u09b0u09c1u09a8u0964 u09aau09c7u09aeu09c7u09a8u09cdu099fu09c7u09b0 u09b0u09b8u09bfu09a6 u09b8u0982u09b0u0995u09cdu09b7u09a3 u0995u09b0u09c1u09a8u0964
  5. u09aau09c1u09b2u09bfu09b6 u09afu09beu099au09beu0987u0986u09acu09c7u09a6u09a8u09c7u09b0 u09aau09b0 u0986u09aau09a8u09beu09b0 u09b8u09cdu09a5u09beu09afu09bcu09c0 u09a0u09bfu0995u09beu09a8u09beu09afu09bc u09aau09c1u09b2u09bfu09b6 u09afu09beu099au09beu0987 u0995u09b0u09a4u09c7 u09aau09beu09b0u09c7u0964 u09afu09beu099au09beu0987u09afu09bcu09c7 u09b8u09b9u09afu09cbu0997u09bfu09a4u09be u0995u09b0u09c1u09a8 u0993 u09aau09cdu09b0u09afu09bcu09cbu099cu09a8u09c0u09afu09bc u09a4u09a5u09cdu09af u09aau09cdu09b0u09b8u09cdu09a4u09c1u09a4 u09b0u09beu0996u09c1u09a8u0964
  6. u09b8u09a8u09a6 u09b8u0982u0997u09cdu09b0u09b9u09afu09beu099au09beu0987 u09b6u09c7u09b7u09c7 u09b8u09a8u09a6 u0985u09a8u09c1u09aeu09cbu09a6u09bfu09a4 u09b9u09b2u09c7 u09aau09cbu09b0u09cdu099fu09beu09b2 u09a5u09c7u0995u09c7 u09a4u09be u09a1u09beu0989u09a8u09b2u09cbu09a1 u09acu09be u09a8u09bfu09b0u09cdu09a7u09beu09b0u09bfu09a4 u0985u09abu09bfu09b8 u09a5u09c7u0995u09c7 u09b8u0982u0997u09cdu09b0u09b9u09c7u09b0 u09a8u09bfu09b0u09cdu09a6u09c7u09b6u09a8u09be u09aau09beu09acu09c7u09a8u0964 u0986u09acu09c7u09a6u09a8u09c7u09b0 u0985u09acu09b8u09cdu09a5u09be u09b2u0997u0987u09a8 u0995u09b0u09c7 u09a6u09c7u0996u09be u09afu09beu09afu09bcu0964

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (পিসিসি) হলো বাংলাদেশ পুলিশের দেওয়া একটি প্রত্যয়নপত্র, যা প্রমাণ করে আবেদনকারীর নামে পুলিশের রেকর্ডে উল্লেখযোগ্য কোনো ফৌজদারি মামলা বা অপরাধের তথ্য নেই। বিদেশে চাকরি, ভিসা, স্থায়ী অভিবাসন, নাগরিকত্ব বা উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এই সনদটি প্রায়ই বাধ্যতামূলক। এখন সরকারি পোর্টাল pcc.police.gov.bd-এর মাধ্যমে ঘরে বসেই এর আবেদন করা যায়, এমনকি প্রবাসে থেকেও। এই নিবন্ধে পিসিসি কী, কারা আবেদন করতে পারেন, কী কাগজ লাগে, ফি ও সময় কেমন, কোথায় সমস্যা হয় এবং কীভাবে সমাধান করবেন—সব বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

পিসিসি আসলে কী

এই সনদে সাধারণত উল্লেখ থাকে যে নির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিদেশি নিয়োগকর্তা, দূতাবাস বা অভিবাসন কর্তৃপক্ষ এর মাধ্যমে আবেদনকারীর পটভূমি যাচাই করে নিশ্চিত হয় যে ব্যক্তিটি নিরাপদ। সনদটি নির্দিষ্ট পাসপোর্ট ও স্থায়ী ঠিকানার ভিত্তিতে ইস্যু হয়, তাই আবেদনে এই তথ্যগুলো নির্ভুল হওয়া অপরিহার্য। একটি পিসিসি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য থাকে, কারণ যে কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবেন তারা প্রায়ই সাম্প্রতিক তারিখের সনদ চায়।

কারা আবেদন করতে পারেন

যারা বিদেশে কাজের ভিসা, পারিবারিক বা স্থায়ী অভিবাসন, নাগরিকত্ব কিংবা দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষার জন্য আবেদন করছেন, তাদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পিসিসি লাগে। বাংলাদেশে অবস্থানকারী নাগরিক, প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি এবং কিছু ক্ষেত্রে বিদেশি নাগরিক—যারা বাংলাদেশে অবস্থান করেছেন—সবাই নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করতে পারেন। প্রবাসীরা সাধারণত অনলাইনে আবেদন করতে পারেন এবং এর জন্য দেশে ফিরতে বা থানায় সশরীরে যেতে হয় না। তবে বিদেশ থেকে আবেদন করলে কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বা কর্তৃপক্ষের সত্যায়িত কাগজ আপলোড করতে হতে পারে—এই শর্ত পোর্টালে যাচাই করে নেওয়া ভালো।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

সাধারণত যা লাগে: পাসপোর্টের বায়োগ্রাফিক (ছবিসহ) পেজের স্পষ্ট রঙিন কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ (যেমন সাম্প্রতিক ইউটিলিটি বিল বা ইউনিয়ন পরিষদ/চেয়ারম্যানের সনদ)। অনেক সময় পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত কয়েক মাস থাকা জরুরি বলে ধরা হয়। আবেদন করার সময় একটি সচল বাংলাদেশি মোবাইল নম্বরও প্রয়োজন হয়, যেটি দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি ও যোগাযোগ করা হয়। যেহেতু প্রয়োজনীয় কাগজের তালিকা সময়ে সময়ে হালনাগাদ হতে পারে এবং আবেদনকারীর ধরন (দেশি/প্রবাসী/বিদেশি) অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে, তাই আবেদন শুরুর আগে পোর্টালে প্রদর্শিত সর্বশেষ তালিকা দেখে নিশ্চিত হয়ে নিন।

ফি ও পরিশোধ পদ্ধতি

পিসিসির জন্য একটি সরকারি নির্ধারিত ফি রয়েছে, যা সাধারণত পোর্টাল থেকে তৈরি চালানের মাধ্যমে অনলাইনে পরিশোধ করা যায়—যেমন মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ/নগদ) বা অনুমোদিত ব্যাংক শাখার মাধ্যমে। ফি-এর নির্দিষ্ট অঙ্ক সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই চালানে বা পোর্টালে প্রদর্শিত অঙ্কই চূড়ান্ত ধরে নিন—অনুমান বা পুরনো তথ্যের ওপর নির্ভর করবেন না। পেমেন্ট সবসময় সিস্টেম-জেনারেটেড চালানের মাধ্যমে করুন; কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে টাকা পাঠাবেন না। পেমেন্টের পর রসিদ/ট্রানজ্যাকশন তথ্য সংরক্ষণ করুন, কারণ পরে তা প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগতে পারে।

বাস্তব সময়সীমা

পিসিসি পেতে সময় মূলত পুলিশ যাচাইয়ের ওপর নির্ভর করে। আবেদনের পর সাধারণত আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানায় পুলিশ যাচাই করে, এরপর সনদ অনুমোদিত হয়। এই প্রক্রিয়া কয়েক কার্যদিবস থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত লাগতে পারে; নির্দিষ্ট সময় স্থান, যাচাইয়ের অগ্রগতি ও আবেদনের চাপভেদে ভিন্ন হয় বলে আগে থেকে নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। তাই যাদের নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে সনদ দরকার (যেমন ভিসা বা চাকরির ডেডলাইন), তাদের হাতে যথেষ্ট সময় রেখে আবেদন করা উচিত। আবেদনের অবস্থা লগইন করে যেকোনো সময় দেখা যায়, ফলে অগ্রগতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

এলাকাভেদে ও যাচাইয়ে পার্থক্য

যেহেতু সনদটি স্থায়ী ঠিকানার ভিত্তিতে ইস্যু হয়, তাই যাচাই সাধারণত সেই ঠিকানার সংশ্লিষ্ট থানা করে। কোনো এলাকায় যাচাই দ্রুত হয়, আবার প্রত্যন্ত বা ভিন্ন এলাকায় কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে। প্রবাসীদের ক্ষেত্রে দেশে থাকা স্থায়ী ঠিকানায় যাচাই হয়, তাই পরিবার বা পরিচিত কেউ যাতে যাচাইয়ের সময় সহযোগিতা করতে পারেন, সে ব্যবস্থা রাখা ভালো। ঢাকা মেট্রোপলিটন বা অন্যান্য মহানগর এলাকার আবেদন কিছু ক্ষেত্রে আলাদা ইউনিট দেখভাল করতে পারে। এসব আঞ্চলিক পার্থক্যের কারণেই নির্দিষ্ট সময় বা ধাপ সবার জন্য হুবহু এক নয়।

আবেদন বাতিল বা দেরি হওয়ার কারণ ও সমাধান

সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা ঠিকানা সংক্রান্ত—যাচাইয়ের সময় স্থায়ী ঠিকানায় আবেদনকারী বা পরিবারকে না পেলে প্রক্রিয়া দীর্ঘ হয় বা আটকে যায়। তাই আবেদনে সঠিক ও বর্তমান যোগাযোগ-ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দিন। আরেকটি সাধারণ ভুল হলো পাসপোর্ট নম্বর বা নামের বানানে অসঙ্গতি; আবেদন ও পাসপোর্টের তথ্য হুবহু এক রাখুন, নইলে সনদ পরে বিদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য না-ও হতে পারে। অস্পষ্ট বা ভুল নথি আপলোড করলেও আবেদন ফেরত আসতে পারে। সমাধান হলো—প্রতিটি তথ্য ও নথি সাবধানে যাচাই করে জমা দেওয়া এবং যাচাইয়ে পূর্ণ সহযোগিতা করা।

পোর্টাল কাজ না করলে করণীয়

অনলাইন ব্যবস্থায় কখনো সার্ভার ব্যস্ততা, নথি আপলোডে সমস্যা বা পেমেন্ট যাচাইয়ে বিলম্ব দেখা দিতে পারে। এমন হলে ইন্টারনেট সংযোগ ঠিক আছে কিনা দেখুন, ব্রাউজার হালনাগাদ করুন এবং কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করুন। পেমেন্ট হয়ে গেলেও স্ট্যাটাস আপডেট হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে, তাই তড়িঘড়ি করে একই পেমেন্ট দুবার করবেন না। সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল সাইট police.gov.bd বা পিসিসি পোর্টালে দেওয়া যোগাযোগ/হেল্প তথ্যে সহায়তা নিন। কোনোভাবেই দালাল বা তৃতীয় পক্ষকে সমস্যা সমাধানের নামে বাড়তি টাকা দেবেন না।

ব্যবহারিক টিপস ও সতর্কতা

পুরো কাজটি নিজে নিজেই সরকারি পোর্টালে করা সম্ভব, তাই কোনো দালাল বা “এজেন্সি”কে অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই—এটি খরচ ও ঝুঁকি দুটোই বাড়ায়। আবেদন শুরুর আগে সব নথি স্ক্যান করে প্রস্তুত রাখুন ও নামের বানান পাসপোর্টের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। সনদের মেয়াদ সীমিত ধরে নিয়ে প্রয়োজনের সময় অনুযায়ী আবেদন করুন, যাতে সনদ পুরনো হয়ে না যায়। কেউ ফোন বা মেসেজে ওটিপি, পাসওয়ার্ড বা এনআইডির ছবি চাইলে কখনোই দেবেন না। সর্বশেষ নিয়ম, ফি ও কাগজের তালিকার জন্য সবসময় সরকারি pcc.police.gov.bd পোর্টালেই যাচাই করুন—এটিই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস।

কখন ও কেন আগেভাগে আবেদন করবেন

পিসিসি যেহেতু পুলিশ যাচাইনির্ভর এবং এর ইস্যু হতে সময় লাগতে পারে, তাই বিদেশযাত্রা, ভিসা সাক্ষাৎকার বা চাকরির যোগদানের তারিখ মাথায় রেখে আগেভাগে আবেদন করা বুদ্ধিমানের কাজ। অনেক দেশ বা নিয়োগকর্তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ইস্যু করা সনদ চায়—খুব পুরনো সনদ তারা গ্রহণ না-ও করতে পারে। আবার খুব আগে করলে যাত্রার সময় সনদের বয়স বেশি হয়ে যেতে পারে। তাই যে কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবেন, তাদের কাছে আগে জেনে নিন সনদ কত দিনের মধ্যে ইস্যু হওয়া লাগবে, এরপর সেই অনুযায়ী সময় হিসাব করে আবেদন করুন। একাধিক দেশের জন্য প্রয়োজন হলে প্রতিটির শর্ত আলাদা করে যাচাই করুন, কারণ মেয়াদ ও সত্যায়নের দাবি ভিন্ন হতে পারে।

সাধারণ ভুল ধারণা ও বাড়তি পরামর্শ

অনেকে ভাবেন পিসিসি পেতে দালাল বা বিশেষ সংযোগ লাগে—এটি ভুল; পুরো প্রক্রিয়াটি সরকারি পোর্টালে নিজে নিজেই সম্পন্ন করা যায়। আরেকটি ভুল ধারণা হলো, অতিরিক্ত টাকা দিলে সনদ দ্রুত পাওয়া যায়; বাস্তবে যাচাই প্রক্রিয়ার গতি নির্ধারিত নিয়মেই চলে এবং বাড়তি টাকা দেওয়া প্রতারণার ঝুঁকি বাড়ায়। আবেদন করার আগে সব নথি স্ক্যান করে একটি ফোল্ডারে গুছিয়ে রাখুন, নামের বানান পাসপোর্টের সঙ্গে মিলিয়ে নিন এবং মোবাইল নম্বর সচল রাখুন, যাতে যাচাইয়ের সময় যোগাযোগ করা যায়। পেমেন্টের চালান ও আবেদনের প্রিন্ট/স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করুন। সর্বশেষ ফি, কাগজের তালিকা, সত্যায়নের শর্ত ও প্রক্রিয়ার জন্য সবসময় অফিসিয়াল pcc.police.gov.bd পোর্টালেই যাচাই করুন, কারণ এসব নিয়ম সময়ে সময়ে হালনাগাদ হয়।

সঠিক তথ্যের জন্য নির্ভরযোগ্য উৎস

পিসিসি সংক্রান্ত ফি, প্রয়োজনীয় কাগজ, সত্যায়নের শর্ত ও প্রক্রিয়ার ধাপ সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল পোর্টাল pcc.police.gov.bd-এর ওপরই নির্ভর করুন। বিশেষত প্রবাসী আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে দূতাবাস বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকতে পারে, যা আগে জেনে নেওয়া ভালো। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো অযাচাই তথ্য বা দালালের প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভর করবেন না। আবেদন, যাচাই ও সনদ সংগ্রহের পুরো প্রক্রিয়ায় ধৈর্য ধরুন এবং প্রতিটি কাগজ ও রসিদ সংরক্ষণ করুন। নিজে নিজে, সঠিক তথ্য দিয়ে ও অফিসিয়াল মাধ্যমে আবেদন করলে পিসিসি পাওয়া সহজ, নিরাপদ ও কম খরচের হয়।

সংক্ষেপে মনে রাখার বিষয়

সবকিছু মিলিয়ে কয়েকটি বিষয় মনে রাখলেই পিসিসির কাজ নির্বিঘ্ন হয়। আবেদন করুন শুধু সরকারি পোর্টালে, নিজে নিজেই; দালাল বা তৃতীয় পক্ষের দরকার নেই। পাসপোর্ট অনুযায়ী হুবহু তথ্য দিন, স্পষ্ট রঙিন নথি আপলোড করুন এবং সরকারি চালানের মাধ্যমেই ফি পরিশোধ করুন। যাচাইয়ের সময় স্থায়ী ঠিকানায় যোগাযোগ সহজ রাখুন ও সহযোগিতা করুন। হাতে যথেষ্ট সময় রেখে আবেদন করুন, কারণ যাচাইয়ের সময় স্থানভেদে ভিন্ন হতে পারে। পেমেন্টের রসিদ ও আবেদনের কপি সংরক্ষণ করুন এবং সর্বশেষ নিয়ম অফিসিয়াল পোর্টালে যাচাই করে তবেই এগোন।

⚠ নিরাপদ থাকুন

পিসিসি আবেদন শুধু সরকারি পোর্টাল pcc.police.gov.bd থেকেই করুন; কোনো দালাল বা “এজেন্সি”কে বাড়তি টাকা দেবেন না। ফি সবসময় পোর্টালে তৈরি সরকারি চালানের মাধ্যমে দিন—ব্যক্তিগত বিকাশ/নগদ নম্বরে টাকা পাঠাবেন না। কেউ ফোন করে ওটিপি, পাসওয়ার্ড বা এনআইডির ছবি চাইলে দেবেন না। janibd.com কোনো সরকারি সংস্থা নয়; আমরা আবেদন গ্রহণ করি না এবং কখনো আপনার এনআইডি, ওটিপি বা পাসওয়ার্ড চাই না।

সাধারণ প্রশ্নোত্তর

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কেন লাগে?
বিদেশে চাকরি, ভিসা, স্থায়ী অভিবাসন বা উচ্চশিক্ষার আবেদনে প্রমাণ হিসেবে এটি চাওয়া হয় যে আবেদনকারীর নামে কোনো ফৌজদারি রেকর্ড নেই।
প্রবাসীরা কি দেশে না এসে আবেদন করতে পারেন?
হ্যাঁ, প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন এবং সাধারণত থানায় সশরীরে যেতে হয় না। তবে বিদেশ থেকে কিছু ক্ষেত্রে সত্যায়িত কাগজ লাগতে পারে।
ফি কত?
সরকারি নির্ধারিত ফি রয়েছে যা সাধারণত অনলাইনে চালানের মাধ্যমে দেওয়া হয়। তবে অঙ্ক পরিবর্তিত হতে পারে, তাই নিশ্চিত হতে পোর্টালে বা চালানে প্রদর্শিত অঙ্কই দেখুন।
সনদ পেতে কত দিন লাগে?
সময় স্থান ও যাচাইয়ের ওপর নির্ভর করে। সাধারণত কয়েক কার্যদিবস থেকে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে; নির্দিষ্ট সময় আগে থেকে নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন।
সনদের মেয়াদ কত দিন?
যে কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবেন তারা প্রায়ই সাম্প্রতিক (যেমন সর্বশেষ ৩-৬ মাসের) সনদ চায়। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী সময় মিলিয়ে আবেদন করুন।
কোনো দালালের মাধ্যমে করা কি দরকার?
না। সরাসরি pcc.police.gov.bd থেকে নিজেই আবেদন করা যায়। দালালের মাধ্যমে বাড়তি টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই এবং তা ঝুঁকিপূর্ণ।

জানি একটি স্বাধীন গাইড এবং কোনো সরকারি সংস্থার সাথে সম্পৃক্ত নয়। ফি, লিংক ও ধাপ পরিবর্তন হতে পারে — কাজ করার আগে সবসময় অফিসিয়াল পোর্টালে নিশ্চিত করে নিন। এটি সাধারণ তথ্য, আইনি বা আর্থিক পরামর্শ নয়।